দেশে দ্রুতই চালু হচ্ছে WiFi কল সুবিধা”—এই বিষয়টি বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন। WiFi কলিং বা VoWiFi (Voice over WiFi) প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ (WiFi নেটওয়ার্ক) ব্যবহার করে ভয়েস কল করা সম্ভব। এটি মোবাইল নেটওয়ার্কের ওপর চাপ কমাবে এবং দূরবর্তী বা নেটওয়ার্ক-দুর্বল অঞ্চলে ভালো কল কোয়ালিটি নিশ্চিত করবে।
WiFi কলিংয়ের প্রধান বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা:
- নেটওয়ার্ক কভারেজের বাইরেও কল করা সম্ভব:
- যেসব এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বল (যেমন: উঁচু ভবনের ভিতর, গ্রামীণ বা প্রত্যন্ত অঞ্চল), সেখানে WiFi সংযোগ থাকলে উচ্চমানের কল করা যাবে।
- কost সাশ্রয়ী:
- WiFi কলিং সাধারণত ডেটা খরচ করে, তাই এটি আন্তর্জাতিক রোমিং বা উচ্চমূল্যের নেটওয়ার্ক জোনে সাশ্রয়ী বিকল্প হতে পারে।
- স্মার্টফোন ও অপারেটর সাপোর্ট প্রয়োজন:
- VoWiFI সক্ষম স্মার্টফোন (যেমন: Android ও iOS এর সাম্প্রতিক সংস্করণ) এবং টেলিকম অপারেটরদের সমর্থন প্রয়োজন। বাংলাদেশে গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটক এই সুবিধা চালুর প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
- সুরক্ষা ও গুণগত মান:
- WiFi কল এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্টেড হতে পারে, যা কথোপকথনের গোপনীয়তা রক্ষা করে।
বাংলাদেশে WiFi কলিং চালুর প্রস্তুতি:
- টেলিকম রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) ইতোমধ্যে VoWiFI নীতিমালা অনুমোদন করেছে।
- অপারেটররা তাদের নেটওয়ার্ক আপগ্রেড করে এই সুবিধা দ্রুত চালু করতে প্রস্তুত হচ্ছে।
- গ্রামীণফোন ও রবি ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে VoWiFI চালু করেছে, শীঘ্রই বাণিজ্যিকভাবে চালু হতে পারে।
চ্যালেঞ্জ:
- ব্যবহারকারীদের অবশ্যই VoWiFI-সাপোর্টেড ডিভাইস ও উচ্চগতির WiFi থাকতে হবে।
- কিছু অপারেটর প্রাথমিকভাবে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট প্যাকেজ বা গ্রাহকদের জন্য এই সুবিধা চালু করতে পারে।
ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা:
- 5G প্রযুক্তি আসার পর WiFi কলিং আরও জনপ্রিয় হবে, কারণ এটি নেটওয়ার্ক কনজেশন কমিয়ে দেবে।
- ব্যবসা ও শিক্ষাক্ষেত্রে লো-কস্ট কমিউনিকেশন সুবিধা বাড়াবে।
বাংলাদেশে WiFi কলিং চালু হলে টেলিযোগাযোগ সেবার গতি, সহজলভ্যতা ও মান বৃদ্ধি পাবে, বিশেষত যেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক অস্থির। তবে এর সফল বাস্তবায়নের জন্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও গ্রাহক সচেতনতা প্রয়োজন।
WhatsApp accounts যে ৪ কৌশলে বেশি হ্যাক করা হয়